ঈমানই সবার আগে। আমাদের ঈমানকে সাহাবাদের ঈমানের আদলে গড়ে তুলতে হবে, যাতে আমরা তাদের যোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে নিজেদেরকে উপস্থাপন করতে পারি।সাহাবায়ে কেরামগণের (রাদিআল্লাহু তাআ’লা আ’নহুম) কাছে সবচেয়ে বড় যে অস্ত্রটি ছিল, তা হলো ঈমান। তারা ঈমান গ্রহণের পূর্বশর্ত পূর্ণ করেছেন, ঈমানের দাবিগুলো যথাযথভাবে আদায় করেছেন এবং জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে ঈমানের চাহিদা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। আমাদের ঈমানের সঙ্গে তাদের ঈমানের রয়েছে বিশাল পার্থক্য। কারণ তারা যেভাবে ঈমান শিখেছেন, আমরা সেভাবে শিখতে পারিনি। আমরা কখনো ঈমান সম্পর্কে বিস্তারিত জানার প্রকৃত চেষ্টা করিনি, যা আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক। স্মরণ রাখুন, বিশুদ্ধ ঈমান ব্যতীত প্রচুর আমলও আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না।
তাহলে আর অপেক্ষা কিসের? নিজের ঈমান সম্পর্কে জানাশোনা ছাড়া ঈমান দুর্বল থাকে, আর দুর্বল ঈমান ঝড়ে টিকে না। তাই ঈমান সম্পর্কে জানা, শেখা, বুঝে বিশ্বাস করা—এটাই একজন মুসলমানের প্রথম দায়িত্ব। এটি না জানলে দুনিয়ার জীবনও বিপদে পড়ে, আর আখিরাত তো নিশ্চিতভাবে ধ্বংস হয়। অজান্তেই নিজের ঈমান খুইয়ে বসছেন কিনা জানতে বইটি এখনই অর্ডার করুন
নিজের ঈমান সম্পর্কে জানাশোনা ছাড়া ঈমান দুর্বল থাকে, আর দুর্বল ঈমান ঝড়ে টিকে না। তাই ঈমান সম্পর্কে জানা, শেখা, বুঝে বিশ্বাস করা—এটাই একজন মুসলমানের প্রথম দায়িত্ব। এটি না জানলে দুনিয়ার জীবনও বিপদে পড়ে, আর আখিরাত তো নিশ্চিতভাবে ধ্বংস হয়। অজান্তেই নিজের ঈমান খুইয়ে বসছেন কিনা জানতে বইটি এখনই অর্ডার করুন